সম্ভাবনার সমীকরণ
একজন যোগ্য বিয়ের পাত্র হিসেবে কোনো গুণাগুণেরই কমতি নেই তপুর মধ্যে। ২৭ বছর বয়সে লেখাপড়া শেষ করে খুব ভালো পর্যায়ের একটি চাকরি করছে সে। দেখতে সুন্দর,পরিপাটি, গোছানো স্বভাবের। বংশগত দিক দিয়েও তার পরিবার কোনো একজন নারীর ভবিষ্যত সংসার হিসেবে বেশ আকর্ষণীয়। তবুও শেষ দেখা ৮ জন মেয়েই তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পরেই তার পরিবারের পক্ষ থেকে যাওয়া বিয়ের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে। বলা যায় করতে বাধ্য হয়েছে। তপুর মধ্যে যে সমস্যাটা সবচেয়ে গুরুতর ভয়ঙ্কর তা হলো সে প্রচণ্ড ভাবে বাস্তব জীবনে সম্ভাবনার সূত্রকে বিশ্বাস করে। সে বিশ্বাস করে, কোনো কিছুই নিশ্চিত ভাবে বলা যাবে না, সব কিছুর মধ্যেই অনিশ্চয়তা রয়েছে। ২য়, ৩য়, ৪র্থ অসংখ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এই জিনিসটা আমি করবো,এটা হবে, এমনটা হওয়ার কথা ছিল , এমনটা হবে না, এটা মরে গেলেও করবো না, এই সমস্ত কথাই অবান্তর। আমরা যেমন ভাবি তা হয়না, যা নিশ্চিত করে বলি তা করি না। বিষয়টা জটিল লাগলেও তপুর জীবনের কয়েকটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলে তার জটিলতা অনেকটাই কেটে যাবে। তপু তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। ক্লাস বিরতিতে এক বন্ধুর সাথে ক্লাস রুমে দৌড়াদ...