ভালোবাসার এতোটাই পাগলামি!
গল্পঃ # ভালোবাসার_পাগলামি . অনবরত কলিংবেল চেপেই যাচ্চে সুইট কিন্তু তারপরেও দরজা খোলার কোনো নাম গন্ধ নেই। অবশেষে দরজা খোলার শব্দে সুইটের মুখে হাসি ফুটলেও দরজার ওপাশে দাড়িয়ে থাকা তাওহীদার রাগী রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা দেখে সুইটের মুখের হাসিটা যেনো মলিন হয়ে গেলো। . ভেতরে ঢুকতেই সুইট বুঝতে পারলো পরিবেশ বেশী একটা স্বাভাবিক না। আর স্বাভাবিক হবেই বা কি করে, তাওহীদা সুইটকে আজকে তাড়াতাড়ি অফিস থেকে আসতে বলেছিলো কিন্তু আজকেই সুইট বেশী দেরী করে এসেছে। সুইট অনেক ভয়ে ভয়ে আছে না জানি তাওহীদা আজ আবার কি করে বসে। একদিন তাওহীদা সুইটকে চকলেট আনতে বলেছিলো কিন্তু অফিসের কাজের চাপে সুইট চকলেট আনতে ভুলে গেছিলো যার ফলে তার রাতের খাবারে বাসার সব মরিচের গুড়া দিয়ে স্পেশাল ঝাল করা হয়েছিলো। সেই ঝাল খেয়ে তো সুইটের অবস্থা পুরাই নাজেহাল হয়েছিলো, অবশ্য সাথে সাথেই তাওহীদার ঠোটের মিস্টি ছোয়ায় ঝাল থেকে নিজেকে মুক্তি দিতে পেরেছিলো। না জানি আজ আবার কি কান্ড করে বসে এই মেয়ের কোনো ভরসা নাই। . লাভ ম্যারেজ এবং এরেঞ্জ ম্যারেজ, এই দুই ম্যারেজের মাধ্যমেই তারা একে-অন্যের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। সুইটের সাথে তাওহীদা...