সম্ভাবনার সমীকরণ

একজন যোগ্য বিয়ের পাত্র হিসেবে কোনো গুণাগুণেরই কমতি নেই তপুর মধ্যে। ২৭ বছর বয়সে লেখাপড়া শেষ করে খুব ভালো পর্যায়ের একটি চাকরি করছে সে। দেখতে সুন্দর,পরিপাটি, গোছানো স্বভাবের। বংশগত দিক দিয়েও তার পরিবার কোনো একজন নারীর ভবিষ্যত সংসার হিসেবে বেশ আকর্ষণীয়। তবুও শেষ দেখা ৮ জন মেয়েই তার সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলার পরেই তার পরিবারের পক্ষ থেকে যাওয়া বিয়ের প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছে। বলা যায় করতে বাধ্য হয়েছে। তপুর মধ্যে যে সমস্যাটা সবচেয়ে গুরুতর ভয়ঙ্কর তা হলো সে প্রচণ্ড ভাবে বাস্তব জীবনে সম্ভাবনার সূত্রকে বিশ্বাস করে। সে বিশ্বাস করে, কোনো কিছুই নিশ্চিত ভাবে বলা যাবে না, সব কিছুর মধ্যেই অনিশ্চয়তা রয়েছে। ২য়, ৩য়,  ৪র্থ অসংখ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এই জিনিসটা আমি করবো,এটা হবে, এমনটা হওয়ার কথা ছিল , এমনটা হবে না, এটা মরে গেলেও করবো না, এই সমস্ত কথাই অবান্তর।  আমরা যেমন ভাবি তা হয়না, যা নিশ্চিত করে বলি তা করি না। বিষয়টা জটিল লাগলেও তপুর জীবনের কয়েকটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলে তার জটিলতা অনেকটাই কেটে যাবে। 

তপু তখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। ক্লাস বিরতিতে এক বন্ধুর সাথে ক্লাস রুমে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে একটা প্লাস্টিকের চেয়ার উল্টে ফেলে ভেঙে ফেলে সে। প্রধান শিক্ষকের রুমে ডাক পরে তার। সে লেখাপড়ায় বেশ ভালো হওয়ায় খুব একটা বকাবকি করলেন না স্যার। শুধু বললেন, কান ধরে বলো আর কোনোদিন ক্লাস রুমে দৌড়াদৌড়ি করবে না! তপু বলল, এইরকম কিছু নিশ্চিত করে তার পক্ষে বলা অসম্ভব। কারণ হয়তো তার সাথে এমন কিছু ঘটতে পারে সামনে যে সে বাধ্য হবে আবার দৌড়াদৌড়ি করতে এবং আরেকবার আরেকটা চেয়ারও ভেঙে যেতে পারে।  শিক্ষক ভয়ানক রেগে গেলেন। তার অভিভাবক এর ডাক পড়লো। শেষমেষ তার বন্ধুরাও বলতে লাগলো, আরে গাধা, স্রেফ বল, আর এমন করবো না। ভবিষ্যতে কী হবে তা পরে দেখা যাবে। 

কিন্তু সে কিছুতেই প্রতিজ্ঞা করলো না। বারবার বলে গেল নিশ্চিত করে সে বলতে পারবে না যে সে এমনটা আর কখনো করবে না। অন্তত এটাতো বল যে এমনটা না করার চেষ্টা করবো। সে তাতেও রাজি নয়।তার মতে  হয়তো ভবিষ্যতে এমন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে যে সে চেষ্টাও করবে না দৌড়াদৌড়ি না করার, বা ধাক্কার হাত থেকে চেয়ারকে রক্ষা করার। ইচ্ছা করেই হয়তো সে কাজটা আবার করবে।  মহা বিরক্ত হলো সবাই। কিন্তু এক শিক্ষক তার মাঝে মহা সততার বৈশিষ্ট্য খুঁজে পাওয়ায় সেবার বেঁচে গেল সে বাড়তি ঝামেলা থেকে। 

কেউ যখন তাকে জিজ্ঞেস করতো, কিরে ক্লাস শেষে আজ ম্যাচ আছে, খেলবি। সে নির্লিপ্ত ভাবে বলতো, হয়তো খেলবো, বা খেলবো না! সময়ের আগে কী করে বলি!

কেউ যখন বলতো, যেভাবে পড়াশোনা করিস পরের ক্লাসে তুই এক রোল নিশ্চিত করবি! সে মাথা দোলাতো, কী করে বলতে পারিস, হয়তো এর আগেই আমি মরে যাব, কিংবা পরীক্ষার সময় এমন অসুখ হবে যে পরীক্ষাই দিতে পারবো না, তখন তোরা পরের ক্লাসে উঠবি আর আমি এই ক্লাসেই আরেকবার পড়বো। কিছুটা বাস্তব হলেও বিরক্তিকর লাগতো এসব কথা সবার কাছেই। 

এমনকি বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় যখন মা বলতো, সাবধানে থাকিস, দুস্টুমি করিস না। সে তখনো বিভ্রান্ত হয়ে বলত, সে কথা দিতে পারেবে না। হয়তো স্কুলে পরিস্থিতি এমন সৃষ্টি হতে পারে সে সাবধান হওয়ার সময় পাবে না, কিংবা ঝামেলায় জড়িয়ে পড়বে। 

শেষ যে পাত্রীটিকে সে দেখতে গিয়েছিল, সেই পাত্রী আর তার পরিবার তপুকে বেশ পছন্দ করেছিল। মেয়েটার নাম উর্মি। মেয়েটার মনে অদ্ভুত এক ভয় ছিল। আজকাল অনেক ছেলেরাই বিয়ের পর নাকি দীর্ঘদিন সন্তান নিতে চায় না যাতে ঝামেলাবিহীন একটা দাম্পত্যজীবন কাটাতে পারে কয়েক বছর। উর্মি সংসারী চিন্তাধারার মেয়ে। সে স্রেফ সুস্থ স্বাভাবিক একটা সম্পর্কে জড়াতে চায় যা সে আশেপাশে দেখে।  নিজেদের আলাপের এক পর্যায়ে উর্মি , তপুকে ভয়ের কথাটা জানিয়ে জিজ্ঞেস করলো, আচ্ছা বিয়ের পর সন্তান নিতে তোমার কোনো আপত্তি আছে? বা শর্ত?

আজগুবি প্রশ্ন। তবে তপুর কাছে কিছুই অস্বাভাবিক লাগে না, সে দ্বিধাহীন ভাবে বলল,  এটা আমি নিশ্চিত করে কী করে বলি, হয়তো বিয়ের পর এমন কিছু ঘটতে পারে যাতে আমার মানসিকতার পরিবর্তন ঘটতে পারে। যাতে দীর্ঘদিন সন্তান না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হতে পারি আমি। কিংবা এমনও হতে পারে আমরা কেউই নিজেদের সন্তান পৃথিবীতে আনতে চাইবো না, বা চাইলেও কোনো একজনের অক্ষমতার কারণে তা অসম্ভব হবে। 

মানে কী এসব কথার! আপনি কীরকম জীবন চান বিয়ের পর তা সম্পর্কে আপনি নিশ্চিত নন? আপনি তো তাহলে দ্বন্দ্বে ভুগে বিয়ের পর আমাকে ছেড়েও দিতে পারেন!

এটাও অসম্ভব নয়! হয়তো বিয়ের পর এমন কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে যে আপনি আমাকে বা আমি আপনাকে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হবো! 

বলাই বাহুল্য সেই মেয়ের সাথে সম্পর্ক আর এগোয়নি। আরেকটা মেয়ের সাথে তপুর বিয়ে প্রায় ঠিক হয়েই যাচ্ছিল। শেষ সময়ে মেয়ের বাবা তপুকে বললেন, দেখ বাবা, আমার মা মরা মেয়ে, আমিই মানুষ করেছি ওকে, ওকে আমি কখনো কোনো কষ্ট পেতে দেইনি, তুমি শুধু আমাকে এইটুকু বলো, আমার মেয়েকে তুমি কোনোদিন দুঃখ দেবে না!

মাথা নেড়ে আপত্তি জানায় তপু, দেখুন আমি নিশ্চিত করে কাউকেই কোনো কথা দিতে পারি না। পরিস্থিতি মানুষকে দিয়ে অনেক কিছুই করায় যা মানুষ এক সময় ভাবে মরে গেলেও আমি এটা করবো না বা মরে গেলেও ও ওটা করবে না। কিন্তু এমন এক সময় আসে জীবনে যে বেঁচে থাকার জন্যই সেই কাজটা করতে হয়। কখনো স্বচ্ছন্দে , কখনো কিছুটা মনোকষ্ট নিয়ে। তবে কাজটা আমরা করি। সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও এর শতাংশ কম, যে আমি বিয়ের পর ভয়ানক বদলে গেলাম। এবং আপনার মেয়ের উপর ভয়ানক অত্যাচার চালাবো। এমন কষ্ট দেব যা পৃথিবীর কোনো স্বামী আজ পর্যন্ত তার স্ত্রীকে দেয়নি।

ইউ রাস্কেল! গেট আউট! কী বলছো এসব! মেন্টাল ট্রিটমেন্ট দরকার তোমার! আই সে,,,,,

দেখলেন আপনি আমার সাথে কিরকম ব্যবহার করছেন! অথচ আপনি আধ ঘন্টা আগেও, স্বপ্নেও ভাবতে পারেননি যার সাথে আপনার মেয়ের বিয়ে প্রায় ঠিক হয়ে গিয়েছে তার সঙ্গে আপনি এমন চেঁচিয়ে দুর্ব্যবহার করতে পারেন।। কিন্তু পরিস্থিতিতে পড়ে আপনি কাজটি করলেন! ক্ষুদ্র সম্ভাবনার কোনো একটা কিছুও একদিন বাস্তবে রূপান্তর হতে পারে। এমনকি হিসেব করে দেখলে সম্পূর্ন অপরিচিত দুজন মানুষেরও একে অপরকে খুন করার সম্ভাবনা রয়েছে। যেখানে বাস্তবতার নিশ্চয়তা নেই সেখানে নিশ্চিত করে,,,,,

স্টুপিড! আই সে গেট আউট! গেট আউট!

বলাই যায় ওখানে তপুর ভবিষ্যত আর কিছুই ছিল না। এরপর দীর্ঘদিন কেটে গেছে। সব দিক দিয়ে পারফেক্ট হলেও তার এই সম্ভাবনার সমীকরণ শুনে তার আশেপাশের সকলেই তার দিকে নাক কুঁচকে তাকিয়ে থাকে। লোকটার মাথায় সামান্য ছিট আছে এতে কারও সন্দেহ নেই! 

এক ছুটির দিন বাসে চড়ে এক বন্ধুর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছিল তপু। মনে মনে ভাবছিল সে একটু পরেই বন্ধু রাশেদের বাড়িতে পৌঁছাবে। সম্ভাবনা রয়েছে এই মুহূর্তে রাশেদ বাড়িতে নেই, আরেকটা সম্ভাবনা রয়েছে সে বাড়িতে আছে। সে চাইলেই ফোন বের করে ওকে একটা কল করে নিশ্চিত হতে পারে ও বাসায় আছে কী নেই! কিন্তু কী লাভ এতে!  এই ক্ষুদ্র জিনিসগুলো যদি পরিস্থিতির মুখোমুখি না হয়ে আগে থেকেই জানতে ইচ্ছা করে তাহলে এক সময় জীবনের অনেক জটিল কিছু আগে থেকেই জানতে চাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন হয়তো ভবিষ্যতে তার সঙ্গে কী কী হতে পারে এসব ভেবেই চিন্তায় মরতে হবে। অধিকাংশ মানুষ কী তাই করে না! সব কিছুতে নিশ্চয়তাই যদি থাকে তাহলে বেঁচে থাকার আনন্দ কোথায়! জীবনের বড় বড় টুইস্ট গুলো উপভোগ করা যাবে কী করে! 

বাস ভর্তি প্রচুর ভিড়, সিটে বসা প্রায় সবার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে রয়েছে লোকগুলো। গন্তব্যের কাছাকাছি চলে আসায় সিট ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো তপু। লোক ঠেলে কিছুটা সামনে এগোতেই বাসের সামনে থেকে হট্টগোলের শব্দ কানে এলো। কিছুক্ষণ পর শুনতে পেল এক লোকের মানিব্যাগ চুরি হয়েছে। মানুষ নিশ্চিত চোর বাসেই রয়েছে! তপু লোকদের ঠেলে একদম সামনে চলে এলো। বাসের কয়েকজন এরমধ্যেই ঠিক করে ফেলেছে সবার পকেট চেক করা হবে। ভিড় ঠেলে আসতে আসতে তপুর হঠাৎ মনে হলো তার প্যান্টের সাইড পকেটটায় হঠাৎ করে কেউ কিছু ঢুকিয়ে দিল। সম্ভাবনা রয়েছে যে লোকটার চুরি যাওয়া মানিব্যাগ এখন তার পকেটে রয়েছে! 

সে পকেটে হাত দিয়ে ২য় মানিব্যাগটা বের করে আনলো। সামান্য অবাক হলো না। যার মানিব্যাগ হারিয়ে গিয়েছিল সে চিৎকার করে উঠল ওটা চিনতে পেরে। বাকিরা ফুঁসে উঠল রেগে, আপনে ওর মানিব্যাগ চুরি করছিলেন, আর এখন পকেট চেক করার কথা শুইনা ভালো সাজতাছেন? 

মুচকি হেসে তপু উত্তর দিল, এটারও সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও খুব কম। তবুও রয়েছে। হয়তো আমার জীবনে এমন কিছু ঘটতে পারতো যে বাধ্য হয়ে আজ আমি সত্যিই শুধুই পকেট মারার উদ্দেশ্যে এই বাসে উঠতাম। আসলে নিশ্চিত করে........

কী বলে হালায়, ধর শালারে, মার শালারে! 

সমানে কিল-ঘুষি পড়তে থাকে তপুর শরীরে। একটু আগেও এমন কিছু যে ঘটতে পারে এর সম্ভাবনা উকি দেয়নি তার মাথায়। কিন্তু মাত্রই ঘটলো। সম্ভাবনার কী এক গূঢ় রহস্য যা আমাদের চিন্তার বাইরে!

থানায় বসে আছে তপু একদল ছিনতাইকারী, চোর, পকেট মারের সাথে। গণধোলাই এর এক পর্যায়ে কেউ তার মানিব্যাগ আর মোবাইল ফোন সরিয়ে নিয়েছে। কারও নম্বরই এই মুহূর্তে তার মনে পড়ছে না যে খবর দিবে। এমন একটা পরিস্থিতিতে সে পড়তে পারে , এমন সম্ভাবনা যদি তার মনে আগে কখনো উকি দিত নিশ্চই সে অন্তত একটা নম্বর মুখস্থ করে রাখতো পরিচিত কারও। এখনো অবশ্য বেশ কিছু সম্ভাবনা রয়েছে তার সামনে। হয়তো ছিনতাইকারীদের সাথে তাকে জেলে দেবে পুলিশ, তারপর তাদের কোনো একটা ফাঁদে আটকে খুন, অপহরণ মামলাও তাকে দিয়ে দিতে পারে। হয়তো কয়েক বছরের মধ্যে তার ফাঁসিও হয়ে যেতে পারে!

আরেকটা সম্ভাবনা রয়েছে, কাউকে ফোন দেয়া, কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই তার মুক্তি ঘটে যেতে পারে! পুলিশের পোশাক পরা একজন নারীকে তার দিকে এগিয়ে আসতে দেখল সে। সম্ভবত অফিসার!  সম্ভাবনা রয়েছে মেয়েটাকে সে চেনে। মেয়েটা একেবারে তার সামনে এসে দাড়ালো। হাসতে হাসতে তপুর দিকে হাত বাড়িয়ে দিল, আমি এমন অদ্ভুত সম্ভাবনাময় ছিনতাইকারীর কথা শুনেই সন্দেহ করেছিলাম এটা আমাদের সম্ভাবনাময় বালক তপু ছাড়া আর কেউ নয়! সম্ভাবনার ভূত এখনো মাথা থেকে যায়নি আপনার! 

মেয়েটাকে চিনতে পেরেই মুচকি হেসে দিল তপু। কলেজে তার জুনিয়র ব্যাচের ছিল মেয়েটা। শেষ যেদিন ওর সাথে দেখা হয়েছিল, ছুটির পর হঠাৎ মেয়েটাকে কান্নারত অবস্থায় ক্যান্টিনে পেয়েছিল সে। মেয়েটার অনেক দূর পড়ালেখা করার ইচ্ছা, কিন্তু বাড়ি থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে বিয়ে দিয়ে দেবে তাকে। শুনে হেসেছিল তপু, বলেছিল, সম্ভাবনা রয়েছে তোমার বিয়ে ৭ দিন কেন, আগামী ৭ বছরের আগে হবে না। নিজের লক্ষ্য পূরণের পরেই তোমার ইচ্ছায় তোমার বিয়ে হবে। এমনও হতে পারে সে সময় একদিন তোমার সাথে আমার দেখা হবে। আমিও তখনও অবিবাহিত থাকবো। আমাদের তখন বিয়ে.....। যে কোনো কিছু ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে জীবনে! 

মেয়েটা বিরক্ত হয়ে চলে গিয়েছিল। এই সেই মেয়ে! আহা! সম্ভাবনাময় জীবন! তার মাথা কয়েক মুহূর্ত শূন্য শূন্য মনে হলো। পৃথিবীটা এতই সম্ভাবনার বেড়াজালে বন্ধি এবং তা এতই প্রত্যক্ষ যে এটা সবাই বিশ্বাস করে, হয়তো তার মতো সবাই বলে বেড়ায় না। তবে যে কোনো কিছু যে কারো সাথে যে কোনো সময় ঘটতে পারে। যে কোনো কিছু যে কোনো কেউ যেকোনো সময় করতে পারে। এটাই সত্যি, এটাই বাস্তব। তবুও তা স্বীকার না করে আমরা সবাই ঝুঁকি নিশ্চয়তার খোঁজে। তার কাছে নিজেকে কেন মাঝেমধ্যে পাগল মনে হয়! সে কী সত্যিই উন্মাদ! সম্ভাবনা নিয়ে এত কেন ভাবে সে! পাগল! এটা হওয়ারও  একটা সম্ভাবনা রয়েছে।অনেক বেশিই সম্ভাবনা রয়েছে এই মুহূর্তে! (সমাপ্ত) 
 

লেখা: #Masud_Rana

Comments

Popular posts from this blog

সখি, ভালবাসা কারে কয়?

বিয়ের দুই মাস পরের রাত

সুন্দর করে বাঁচতে চাই আমি